35 দিন
17 ঘন্টা
50 মিনিট
39 সেকেন্ড

শিশু অপহরণ করে মুক্তিপন দাবীকারী চক্রের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেফতার ও অপহৃত শিশু উদ্ধার

বিষয়বস্তু: আরপিএমপি সংবাদ | প্রকাশের সময় : 2019-06-11 05:09:45


শিশু অপহরণ করে মুক্তিপন দাবীকারী চক্রের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেফতার ও অপহৃত শিশু উদ্ধার

গত ০১/০৬/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ তাজহাট থানাধীন আলমনগর মৌজার খেরবাড়ি এলাকার জনৈক কাল্লু মিয়ার শিশু সন্তান আশিক(০৫) সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ হয়। ভিকটিমের পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে না পেয়ে স্থানীয়ভাবে মাইকিং করেন। অতঃপর কোথাও না পেয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে ০২/০৬/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সূত্রে বর্ণিত মামলা দায়ের করেন। পুলিশ কর্তৃক তদন্তে জানা যায় যে, অপহরণকারী সক্রিয় সদস্যরা ভিকটিমের পিতার নিকট মুক্তিপন বাবদ ১,০০০০০(এক লক্ষ) টাকা দাবি করে। মুক্তিপনের টাকা প্রদান না করলে ভিকটিমকে হত্যার হুমকি প্রদান করে।


উল্লেখিত ঘটনার বিষয়ে জনাব মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম পুলিশ কমিশনার, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, রংপুর মহোদয় অবগত হলে তিনি অপহরনকারীদের গ্রেফতার এবং ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের জন্য অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ), জনাব মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম-কে নিদের্শ প্রদান করেন। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) এর নেতৃত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতয়ালী জোন), জনাব মোঃ জমির উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ জনাব শেখ রোকোনুজ্জামান, এসআই(নিঃ) মোঃ মামুনুর রশীদসহ সঙ্গিয় ফোর্স তাৎক্ষনিকভাবে রংপুর জেলা ও নীলফামারী জেলাধীন সৈয়দপুর থানায় সাড়াশী অভিযান চালিয়ে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সৈয়দপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় মোজার মোড় নামক স্থান হতে ভিকটিম শিশু আশিক-কে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অপহরন ও মুক্তিপনের সাথে জড়িত সক্রিয় সদস্য মোঃ শাহীন মিয়া (২০)পিতা-মোঃ উমালু @ জাকির সাং-কয়াগোলাহাট বসনিপাড়া, থানা-সৈয়দপুর জেলা-নীলফামারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তার দেয়া তথ্য মতে অপর অপহরনকারী ও মুক্তিপন দাবীকারী সক্রিয় সদস্য মোঃ রনি ইসলাম (২৫) পিতা-মোঃ শহিদুল ইসলাম সাং-পূর্ব বেলপুকুর পাকাধারা, থানা-সৈয়দপুর, জেলা-নীলফামারীকে রংপুর হতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে তারা শিশু অপহরণ ও মুক্তিপন দাবির অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। অভিযানকালে গ্রেফতারকৃত আসামীদের হেফাজত হতে ব্যবহৃত ০২ (দুই) টি মোবাইল সেট উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।

অপহরণকারী ও মুক্তিপনের সাথে জড়িত আসামীদ্বয় পূর্ব-পরিকল্পনাপূর্বক গত ০১/০৬/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ বাদী কাল্লুর বাড়ি থেকে শিশুকে অপহরণ করে চেতনানাশক ঔষধ (অটোসিল) সেবন করিয়ে সৈয়দপুর নিয়ে গিয়ে আটক রেখে মুক্তিপন দাবি করছিল। দ্রæত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেফতারসহ অপহৃত শিশু উদ্ধারের ফলে ভিকটিমের আত্মীয় স্বজনের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অপহৃত শিশু আশিক-কে চেতনানাশক ঔষধ খাওয়ানোর ফলে তার অসুস্থতার কারনে রংপুর মেডিকেল কলেজ, হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।


এ সংক্রান্তে তাজহাট থানার মামলা নং-০৩ তাং-০২/০৬/১৯ খ্রিঃ ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, সংশোধনী/২০০৩) এর ৭/৮/৩০ রুজু করা হয়


আরও সংবাদ